Sunday, 5 April 2020

বার্ধক্য -নাজমুস শাহাদাত

(প্রয়াত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের "আঠারো বছর বয়স" কবিতাটা পড়ে কল্পনায় ভেসে ওঠে মা-আব্বার বার্ধক্যের কষ্টের ছবি; তারই ক্ষুদ্র প্রয়াস "বার্ধক্য" কবিতাটি)



নিশুতি রাতে নিশাচর পাখিরা
নিকষ কালো আঁধারের মাঝে জেগে আছে,
আরো দু'জন জেগে আছে
চোখে ঘুম নেই।


বার্ধক্যে উপনীত দু'জন মানব-মানবী,
বার্ধক্য দেয়াল হয়ে দু'জনকে করেছে ফারাক।
তারা ভাবে, ক্লান্তিময় বার্ধক্য,
সুরহীন বার্ধক্য
রসহীন বার্ধক্য
হারানো যৌবনের স্মৃতিময় বার্ধক্য।


বার্ধক্য আসে একরাশ বিরক্তি নিয়ে কুঞ্চিত ভালে,
যেন তরঙ্গহীন, স্রোতহীন বিগত
যৌবনা এক মরা নদী।
একদিন এনদীতে উত্তাল তরঙ্গ আছড়ে পড়তো,
একদিন বসন্তের আগমনে মনের মন্দিরে
শ্রীকৃষ্ণ প্রেমের বাঁশি বাজিয়েছিল।


বহুবছর পার হয়ে এসেছে,
বসন্ত এখন ফেরারী।
অভিজ্ঞতার ঝুলি ভরা,
কিন্তু ভালোলাগা, সুন্দর দেখার অনুভূতি নষ্ট হয়ে গেছে।
বার্ধক্যে এমনি হয়
সব কিছু তিক্তময়।
বার্ধক্য মানেই
অক্ষমতার কাছে আত্মসমর্পণ।


বার্ধক্য সেতো জীর্ণ শীর্ন বিবর্ণ
এক উত্তরীয় জড়ানো কায়া,
পড়ন্ত বিকেলের সূর্যাস্তের পূর্বক্ষনের
করুন রাগিনীতে ভরা বার্ধক্য।


নিসর্গের তরু পল্লবের সবুজাভা
মুছে গিয়ে ধূসর রঙই তো বার্ধক্য।
শক্তিধর প্রকৃতির নিয়ম মেনে নেয়া,
শক্তির কাছে পরাজয়ই বার্ধক্য।


বার্ধক্য মানেই নিজেকে কঠিন
শাসনের শৃঙ্খলে বেধে ফেলা,
বার্ধক্য মানেই শুভ্র কুন্তল, সৌম্য কান্তি
ভদ্রবেশী, নত মস্তকে হাটা।


বার্ধক্য মানেই এক ছাদের নিচে
একই পালঙ্কে দু'জন দু'দিকে ফিরে থাকা,
বিগত দিনের উদ্দাম তারুণ্যের
স্মৃতি মন্থন করা।


বার্ধক্য মানে জরা,রোগ,ব্যাধির
অবাধে যাতায়াত,
বার্ধক্য মানে বক্র মেরুদন্ড,
মনে অসংখ্য সংশয় ।



বার্ধক্য মানেই জীবনের অসংখ্য
ভাল মন্দ, ভুল-সঠিক, ন্যায়-অন্যায়
কর্মকাণ্ডের লেনদেনের
হিসাব কষার সময় ।

হায় ভালোবাসি - মহিনের ঘোড়াগুলি covered by AUMITRAKKHOR



১৪ এপ্রিল , ২০১৯

নির্বাণ - মেঘদল covered by AUMITRAKKHOR


১৪ এপ্রিল, ২০১৯

সুবোধ তুই নীলে ফিরে আয়




এই ছবিটা আমার একটা ফ্রেন্ড ফেইসবুকে দিল, দেওয়ার পরে সেখানে অনেকেই এসে বলতেসে উঠসে কেন জায়গা না থাকলে, না উঠাই বেটার ছিল।
পোস্ট টা ছিল একটা মেয়ে লেগুনার পেছনে দাড়াই আসে আর ছেলেরা বসে আসে।

এবার একটা ঘটনা বলি। মাসখানেক আগে আমি Safquat Riasat Majharul Islam Samin Mahatab Oni দের বাসায় যাওয়ার জন্য বিকেলে বের হইসি। বিকেল টাইম, সব ভার্সিটি অফিস শেষে হাজার হাজার লোক রাস্তায়, সবাই ধাক্কাধাক্কি করে উঠতেসে।কেউ পারতেসে কেউ পারতেসেনা। একটা মেয়ে অনেক্ষন ধরে দাড়াই আসে। রাইদা আসলো, মেয়েটা বাসের দড়জার সামনেই ছিল, তারে ধাক্কা দিয়ে দুইটা ছেলে উঠে গেল, সিট ফিলাপ, দরজা বন্ধ করে দিল হেল্পার। মেয়েটা আবার দাড়াই আসে। আমার কোন তাড়া নেই এমনিতেই, আর এমনেও ক দিন আগে একটা ছেলে মারা যাওয়ার পরে পুলিশ সবাইকে রাস্তা পারাপারে সাহায্য করতেসে, এই রাস্তার এক পাশে ওভারব্রিজ করার কাজ, সবকিছু নিরবে দেখতেসিলাম।  অনাবিল এল, সেইম, সবাই ধাক্কাধাক্কি করে উঠলো, সে পারলোনা। এর পর তুরাগের ত কথাই ই নেই। এদিকে সন্ধাও হয়ে আসতেসে।  এর পর আরো ৫-১০ টা বাস যাওয়ার পর অনেক্ষন পরে সে একটা বাসে খুব চেষ্টা করে উঠে দড়জায় জায়গা পায়। সেখানে দাড়িয়েই সে চলে যায়।
ঢাকা শহরে জীবিকার তাগিদে সবাইকেই বের হতে হয়। ছেলে কিংবা মেয়ে। সো যারা বলতেসে উঠার কি দরকার, তারা আসলে কি ভেবে বলতেসে তা জানিনা। আর উঠার পরে সেখানে কেউ একজন চাইলেই জায়গা দিতে পারতেন হয়ত। দিয়েছিল কিনা কে জানে। এইটা ত স্থিরচিত্র। হয়ত কেউ দাঁড়িয়ে ওনাকে জায়গা দিয়েছেন। পজিটিভ টা ই ধরি। এত নেগেটিভিটি, এত এগ্রেসিভ মানুষজন নিয়ে আমরা কই যাবো। কয়দিন আগে একটা মেয়ে ডাক্তার দেখাইতে গিয়ে মলেস্টের শিকার হইসে, সেখানে গিয়ে সবাই লিখতেসে
"মেয়েরা মেয়ে ডাক্তারের কাসে যাবে, ছেলে ডাক্তারের কাসে কেন যাবে? "
একটা জিনিস ভালই, আপনি ফেইসবুকের কমেন্ট সেকশানে গেলে দেশের মানুষের চলমান একটা ওভারভিউ পাবেন, যা অন্য কোন সমীক্ষা আপনাকে দিবে না।

সুবোধ, বহু দিন তোরে দেখিনা

জুলাই ৩ , ২০১৯

ভোরের জোনাক


গুমোট ধরা নীলাভ মাঠে
সরু বাতির আভা
পোড়া মাটির বদ্ধ ক্ষেতে
শিশির ই দেখে কেবা

তানপুরার সুর বানাও তুমি
মনের গহীন কল্পনায়
আলোর এক জোনাক ডেকে আনে
হাজার জোনাক থোকায়

এ কি আশার আলো ফোটালে বিধাতা
তিমির এ বন্ধুর প্রান্তরে
ভয়ার্ত কায়া মাড়ায় শিশির
হারায় নব জীবনের সমাহারে


- রিফাত আহাম্মেদ

স্কুল


চিলেকোঠার কিছু মিথ্যে বালি
শত সত্য জন্মের বয়ে চলা
অনুভূতির গভীরে মৃদু আলো
স্মৃতির ঝড়ে হারিয়ে যায়
কোথায়? কোথায়? কোথায়?

------------------------------------------------

অজস্র রোদের বৃষ্টিতে ভেজা
সবুজ চাদরের মায়ায়
শুভ্রতার কুয়াশায় মাখা
অর্বাচীন সেই ছায়ায়
চিরপরিচিত ভুল
আমাদের স্কুল

---------------------------------------------------

নবীন কায়ায় ঘেরা প্রবীর আবরণ
ছায়ামাখা কিছু পাতার আলিঙ্গন
লুকিয়ে আছে আমার ছেলেবেলা
হারিয়ে যাওয়া অস্তিত্বের মেলা
কোথায়? কোথায়? কোথায়?

------------------------------------------------

অজস্র রোদের বৃষ্টিতে ভেজা
সবুজ চাদরের মায়ায়
শুভ্রতার কুয়াশায় মাখা
অর্বাচীন সেই ছায়ায়
চিরপরিচিত ভুল
আমাদের স্কুল


- রিফাত আহাম্মেদ

স্বাধীনতা

স্বাধীনতা মানে পাখির বাসায়
মধুর কলোরব,
স্বাধীনতা মানে আকাশে উড়োবো
আমার স্বপ্ন সব।

স্বাধীনতা পাবে তপ্ত রোদে
গাছের ছায়ার নিচে,
কৃষক রাখাল মাটিতে বসে
হাসবে মিছে মিছে।

কোথায় পাবে স্বাধীনতা -
শুধাও কেন আমায়?
কিশোরের এসে লাফিয়ে পড়ছে
পানিতে উদাম গায়।

স্বাধীনতা দেখতে চাও
হে আমার বন্ধু?
তার জন্যে পাড়ি দিতে হবেনা তোমায়
যেতে হবেনা এক বিন্দু।

সবুজ ক্ষেতের নাচন দেখে
নেচে ওঠে গাছপালা ,
সারা বাংলার আকাশে বাতাসে
আছে স্বাধীনতার মালা।

মায়ের কোলে মাথা রেখে
কত গল্প শুনি,
একেই কি বলে স্বাধীনতা?
আমি মনে হয় জানি।

তপ্ত শীতল মাটির মাঝে
খালি পায়ে হেটে চলা,
এর চেয়ে মধুর স্বাধীনতা
যায় কি কিছুকে বলা?


- রিফাত আহাম্মেদ

নোয়াখালী জিলা স্কুল

২৬ নভেম্বর ২০১৩ ( ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারের সময়কার , সবে স্কুল ছাড়ার কষ্ট একটু একটু করে বুকে লাগা আরম্ভ করেছিল মাত্র )


নোয়াখালী জিলা স্কুল
-----------------
ফেলে এসেছি অনেক দূরে
তবু আছি সারাক্ষণ ,
আর কখনো ফিরে পাবার নয়
তবু পড়ে আছে মন।

সোনালী উজ্জ্বল রোদে রাঙ্গা
সোনালী সেই দিন,
মনের পাতায় আজো তাজা হয়ে আছে
স্মৃতি গুলো অমলিন।

চার প্রহরের বিরতি তে
যেতাম সুপার মোহাম্মদীয়া,
পেটায় নমঃ করিতাম মোরা
ডাল পরোটা দিয়া।

অনেক উপরে উঠছি মোরা
ফেলে সোনালী দিন,
স্বপ্নের সেই ক্ষণের পিছুটান
বাড়ছে প্রতিদিন।

স্বপ্নপুরীর মাঝে ছিল
একটা ভুতের বাড়ি,
ভুত তো নয়, বসত সেখানে
আড্ডার রসালো হাঁড়ি।

হরেক রকম শিক্ষকদের
হরেক রকম ক্লাস,
কেউ আসত বেত নিয়ে
কেউ চোখে সানগ্লাস ।

বাড়ির কাজের জন্য ঝাড়ি
থাকত প্রতিদিন,
তবুও কেউ বাড়ির কর্ম
করতনা কোন দিন।

সারা বছরে সবার জন্য
৩ টা অগ্নিপরীক্ষা,
সারা বছর পড়া না হলেও
তখন হত শিক্ষা।

-কিরে, পরীক্ষা কেমন হল?
-আব্বা, সেইরাম হইছে
রেজাল্ট দিলে -ফেল করছি
এইবার কাম সারছে।

বাঁদরের এই আস্তানা তেও
পেয়েছি মানবিক শিক্ষা,
শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে
পেয়েছি মোরা দীক্ষা।

বাস্তবতা আর স্বপ্ন মিশে
হয়ে আছে একাকার ,
স্মৃতির পাতা খুললেই শুনি
চাপা শব্দের হাহাকার।

যতদুরে যাই এই আঙ্গিনা ছেড়ে
তবু যাবনা কোন দিন,
যেখানেই যাই, যেখানে হারাই
হাঁটব এই আঙ্গিনায় চির দিন


-রিফাত আহাম্মেদ
২৬ নভেম্বর ২০১৩

হারিয়ে গিয়েছি

নিদ্রাহীন রাতের আলো

৬-৭-২০১৯
আজ বাসায় আরিফ এলো। দুপুরবেলা বাধ্য হয়ে পরীক্ষার পড়া পড়তে পড়তে মোবাইলে হঠাত আরিফের নাম দেখে চমকে উঠলাম। আমার ধারণা আরিফ,আকিব,নোবেল ভাই এবং মাহতাব ভাই কে কোন অকেশানে না গেলে তারা আমার অস্তীত্ব সম্পর্কে বিশেষ একটা ভাবেনা। আমি খুশি ও আশ্চর্য হয়ে আরিফের ফোন ধরলাম ( আরিফ লিখতে গিয়ে আকিব লিখে ফেলছি বার বার, অথচ দুজনের সম্পর্কে মাথায় এখন দুইটা আলাদা চিন্তা ঘুরছে) । আরিফ আমার বাসার সামনে এসে দাড়ালো, ঠিক আমার ক্যাম্পাসের আট নাম্বার গেইটের সামনে, যেখানে কয়দিন আগে নোবেল ভাই আর লোহা এসে রিকশা থেকে নেমেছিল। এসেই জড়িয়ে ধরলো আমাকে। বহূদিন পরে এসেছে। আমরা ঘাটপাড় গিয়ে চা খেয়ে বাসায় আসলাম।
এর পর আমাদের নানান কথার মাঝে হঠাৎ উঠে এলো নোবেল ভাই এর কথা। নোবেল ভাইয়ের লেখার কথা। আরিফ নোবেল ভাই এর লেখার অনেক ভক্ত। সব সময় নোবেল ভাইর সাইটে ঢুকে লেখা পড়ে। সাথে সাথে আমার নিজেকে অপরাধি মনে হতে লাগলো। বছর দুই আগে জুনায়েদ ভাই যখন প্রথম আমাকে নোবেল ভাই এর সাথে যোগাযোগ করতে বলে এবং এই ছেলেকে আমি বহু আগেই আমার প্রিয় রাইভাল স্কুলে সার্কাস দেখাতে দেখেছিলাম, খুব আগ্রহ নিয়ে তাকে স্টক করা শুরু করি। খুব আঁটসাঁট বেধেই তার এমন কিছু দেখতে চাচ্ছিলাম, যা দেখলে আমি হয় তাকে নিয়ে হাসতে পারবো। এটা হবে গার্লস স্কুলে এসে এত ভাব দেখানোর একটা নিশ্চুপ রিভেঞ্জ। কিন্তু তার প্রোফাইল এ ঢুকে কেমন একটা মায়া জমে গেলো। তার ওয়াল থেকেই তার bilbilu.blogspot.com সাইট টা দেখি। ভেতরে ঢুকে একটু পড়ে দেখি। অসম্ভব সুন্দর করে গুছিয়ে আগোছানো লেখা। এর পরে কত শত বিকেল পার হয়ে গেলো। আজ আরিফের কথা শুনে মনে পড়ে গেল, এরকম একটা সাইট এক্সিস্ট করে।আরিফ বাঁশি বাজালো। আমি আমার সদ্য কেনা বেজ গিটার টা আরিফকে দেখালাম, যদিও সে বেজ এর ব টা ও বুঝেনাই বলেই আমার ধারণা। এর পর আরেক কাপ চা খেয়ে আরিফ কে বিদায় দিলাম।
বাসায় এসে খুবই অশান্তি লাগছিল সব। গত কাল বৃষ্টিতে ভিজেছিলাম রাতের সাড়ে দশটায়, কিন্তু আজ বৃষ্টি হচ্ছেনা, অথচ খুব ভিজতে ইচ্ছে হল। বাইরে বেরিহে হেটে আসলাম।
ঢাকায় অনেক গুলো মহাসড়কে রিক্সা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তারা আন্দোলন করছে। সেই আন্দোলনে কালকের পরিক্ষা ক্যান্সেল হয়ে গিয়েছে। সেই খুশিতে বই বন্ধ করে গান শুনলাম। কোল্ডপ্লে আর অর্থহীন। নিতু আজ ঘুমিয়ে গেছে অনেক আগেই। নাহয় ওকে আজ আরিফের সাথে হওয়া কথাগুলোর ব্যাপারে ওর মতবাদ জানতাম। যদিও আমি জানি ও খুবই উত্তম শ্রোতা ও খুবই বাজে বক্তা। কিছুই বলতে চায় না। ও হ্যা, ওর বান্ধুবিরা মিলে আজ বৃষ্টিতে ভিজেছে। নোয়াখালীর বৃষ্টিতে ভেজার মত সুখ কি আর বসুন্ধরার ঝুম বৃষ্টিতেও পাওয়া যায়? তার চেয়ে ভেজা কাক হয়ে থাক আমার মন।
রান্না করেছে আলু ভাজি আর ডিম সিদ্ধ। বমি চলে আসলো কেন জানি। খেতে পারলাম না। আমার মত নব্য পেটুক একটা ছেলে না খেয়ে থাকা মানেই কিন্তু এক নিদারুণ কষ্টের। ক্ষিদা থেকে বাঁচতে কিছুক্ষন পাবজি খেললাম। এর পর একটা অদ্ভত কাজ করে বসলাম। নোবেল ভাই এর সাইটে চলে গেলাম। সেইই দুই বছর আগের একবারের এক পলক দেখে সাইট টার ইউ আর এল মনে থাকায় নিজেকে খুবই ব্রিলিয়ান্ট মনে হল।
সাইটে গিয়ে আমি পাগল হয়ে গেলাম। এত্ত লেখা, এত্ত। আমি কাল ঘুম থেকে উঠেই এট নিতু কে দিব। ওর সারাটা দিন অনেক ভালো কাটবে আশা করি, যদি না সিরিজ দেখার মাঝে সময় পায়।
সব গুলো লেখার শিরোনাম পড়ে আমার নাম লিখে সার্চ দিলাম। তিন চারটা আর্টিকেল আসলো। নিজেকে খুব অপরাধি মনে হল। আমি কেন এই তীরে আগে আসলাম না। ইশশ এই মূহূর্তে এক কাপ চা আর একটা সিগারেট ধরিয়ে দিয়ে যদি পুরো সাইট টা পড়া যেত। রাতের বাজে সাড়ে চার টা।
বরিশাল ট্যুরের কথা মনে পড়ে গেলো। বহূদিন নোবেল ভাই কে দেখিনা। শুনলাম এবং দেখলাম আকিব দেশে আসলো। অথচ আমি অনেক পরে সেটা জানলাম। আকিব যেদিন চলে যাচ্ছিল, সেদিন আমার চোখে পানি আসতে চাচ্ছিল বার বার। বিচ্ছিরি এবং হাস্যকর একটা ব্যাপার হবে ভেবে খুব কষ্টে চেপে রাখি। কিন্তু শালা আসার পর এইরকম একটা কাজ করতেসে। কোন কল নাই, টেক্সট নাই, দেখা নাই। ওইদিন ওর ছবিতে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কমেন্ট করলাম "ভুলে গেসস "
আকিব উত্তর দিল "ভাই ভুলিনাই, রাজপথ ছাড়িনাই'
ইচ্ছা করতেসিলো আকিবকে একটা মোটা বাঁশ দিয়ে এক বাড়ি মেরে খাটে শুয়ে একমাস পাব্জি খেলার সুযোগ করে দিই।
সমস্যা হল আমি নোবেল ভাই না। আমি রিফাত। এজন্য কেউ খোজ না নিলে আমি রাগ করা শুরু করি। অথচ আমিই কারো খোজ নিই না। এরকম হলে ত নোবেল ভাই ই আমার উপর রাগ করার কথা। কিন্তু সে সুযোগ আমি দিই না। অনেক দিন পর আমি কল দিয়ে নিজেই একটু জোরে জোরে কথা বলি, যেন সেই সুযোগ না পায়।

সকাল হবে একটু পর। পাখি ডাকা শুরু করে দিয়েছে। এদিকে একটা পাখি হকার টাইপ। অন্যদের আওয়াজ ছাপিয়ে তার আওয়াজ ছড়িয়ে যায় চারপাশে। টেবিলের সামনের ওয়ালে জহির রায়হানের হাসিমাখা ছবি। মন ভালো হয়ে গেলো। রুমে সাবাব নেই, তার মনে হয় টাইফয়েড হয়েছে। রুমে কেউ না থাকলে একাকী লাগে, আবার স্বাধীন ও লাগে। এখন স্বাধীন লাগছে। রুমের লাইট জ্বালিয়ে রেখেছি।
আর লিখছি খুট খাট আওয়াজ করে।
হারিয়ে গিয়েছি এটাই জ্বরুরি খবর হয়ত বা....
ও হ্যাঁ সেদিন সামিনের সাথে তাদের বাসার ছাদে এয়ারপোর্টে বিমানের ওঠানামা দেখতে দেখতে গেয়েছিলাম

Victory Day 2019



https://code.sololearn.com/Wy3Dv2eE7626/#html





মাতাল নদীর রোদ ও পিংক ফ্লয়েড

এক লোক ট্রল করে ফেবু তে এই লোকের গাওয়া পিংক ফ্লয়েডের উইশ ইউ আর হিয়ার এর বাংলা ভার্শান দিলো ।  বাট আমার গান টা অসম্ভব ভালো লাগে । এক ধরণের ঘো...